স্বাস্থ্য রক্ষায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা

Sample photo of Essay

ভূমিকা : স্বাস্থ্য যেমন জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ, তেমনি এই স্বাস্থ্য রক্ষার ধর্মীয় জীবনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাকে বলে ঈমানের অঙ্গ পরিষ্কার-পরিচ্ছননতা পরিষ্কার-পরিচছননতা ছাড়া জীবনও সুন্দর হয় না। সুখে জীবনযাপন করতে হলে সবচেয়ে আগে প্রয়োজন স্বাস্থ্য । বলা হয়ে থাকে, ্বাস্থাই সকল সুখের মূল। এই স্বাস্থ্য বলতে বুঝায় সমপূ্ কর্মক্ষম হয়ে বেঁচে থাকা। কোনো রকম অনব্তিবোধ না করা ‘ শরীরে কোনো প্রকার রোগ না থাকা, মন খারাপ না থাকা, সুখশ্থাচ্ছন্দ্যে জীবন উপভোগই সুস্থতা। যে এমনভাবে তারই স্বাস্থ্য ভালো বলে উল্লেখ করা হয়। দেহ ও মতনের সুস্থতার মাধ্যমে যে আনন্দ ও সুখ লাভ করা যায় তার

স্বাস্থ্য লাভের উপায় ও বৈশিষ্ট্য : মানবজীবনে স্বাস্থ্যের গুরুত্ব অপরিসীম । একটি সুস্থ মানুষই ভালো স্বাস্থ্যের পরিচায়ক।
এই স্বাস্থ্য ভালো তথা সুস্থ রাখতে হলে শরীরের প্রতি সচেতন হতে হয়। স্বাস্থ্রক্ষার নিয়ম-কানুনগুলো বিশেষভাবে জানা
দরকার। বর্তমানে স্কুল-কলেজের শিক্ষঅক্রমে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। স্বাস্থ্য সম্পর্কে প্রত্যেককে
প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন করতে হবে। শিশু জন্মথহণ করার পর শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার প্রধান দায়িত পরিবার তথা মাতাপিতার।
সবস্থ্য কীভাবে রক্ষা করা যায়, স্বাস্থ্য কী করলে ভালো থাকবে, শিশুকে প্রথমে তা মা-বাবাই শিখাবেন। শিশুকে বোঝাতে
হবে, স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে তা মা-বাবাই
শেখাবেন। শিশুকে বোঝাতে হবে, স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রতি খেয়াল রাখতে হবে । মনে রাখতে
হবে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্্তা স্বাস্থ্য রক্ষার বা ভালো রাখার প্রধান উপায়।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্্ন থাকার উপায়: স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে অবশ্যই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। নিজেকে সবসময়
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ভোরবেলা উঠে হাতমুখ ভালো করে ধুতে হবে। দাঁত পরিষ্কার করতে হবে। নিয়মিত
গোসল করতে হবে। ঘুমাবার আগে হাত-পা ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে। হাত ও পায়ের নখ নিয়মিত কাটতে হবে। কারণ,
হাতের নখে ময়লা জমে থাকতে পারে। তা পেটে গেলে ‘অসুখ হতে পারে। কাপড়-চোপড় ঠিকমতো না ধুয়ে পড়া উচিত
নয়। কেননা তাতে নানা রোকম রোগ হতে পারে । পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা মানে শুধু নিজেকে পরিষ্কার রাখা নয় । নিজের এবং
তার চারপাশের পরিবেশকেও পরিষ্কার রাখতে হবে। বাড়ির চারপাশে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। গাছপালা থাকলে সেই গাছের
পাতা ঝারে পড়লে তা ঝাড়ু তা দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজনে সে সব একসঙ্গে করে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। নর্দমা
দিয়ে যাতে নিয়মিত ময়লা পানি বের হতে পারে সেজন্য বাড়ির চারপাশের নর্র্মা পরিষ্কার করতে হবে। গোসলখানা ও
পায়খানা যাতে নোংরা না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সার্বিকভাবে নিজের এবং চারপাশের পরিবেশ যদি পরিষ্কার
না থাকে তাহলে নানা প্রকার রোগ হতে পারে । এ ব্যাপারে আমাদের সবারই সচেতন হওয়া দরকার ।

উপসংহার : আমাদের দেশে প্রচলিত কথা- “স্বাস্থ্য সম্পদ, স্বাস্থ্যই সুখ” অনেকটাই নির্ভর করছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার
উপর। তাই স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য আমাদের সচেতন থাকা উচিত। আর তা রক্ষার প্রধান ও অন্যতম উপায় হচ্ছে নিজে
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা এবং চারপাশের পরিবেশকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা। পরিমিত খাবার, বিশুদ্ধ খাবার, শরীরচর্চা
ইত্যাদি স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য দরকার। কিন্তু সবার আগে দরকার পরিষ্কার-পরিচ্ন্রতা। নোতরা মানুষকে কেউ পছন্দ
করে না। নোংরা খাবার কেউ খায় না। নোত্রা পরিবেশ কারো ভালো লাগে না। তাই নিজেরা পরিষ্কার; থাকা এবং অন্যদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা আমাদের কর্তব্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *